হঠাৎই থেমে গেল যাত্রাপথ। আনন্দের সফর মুহূর্তে বদলে গেল শোকে। বৈষ্ণদেবীর পথে নেমেছে ভয়ঙ্কর ধস। মৃত্যুতে ভরে উঠছে ভূস্বর্গ কাশ্মীর।
প্রকৃতি ধরেছে রুদ্ররূপ। ধসে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩০ জন। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বহু মানুষ আহত। অনেকেই এখনও ধসের মধ্যে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা।
মঙ্গলবার প্রবল বৃষ্টির সময় কাটরা থেকে বৈষ্ণদেবীর রাস্তায় আচমকা ধস নামে। সঙ্গে সঙ্গেই থমকে যায় জম্মু-পাঠানকোট জাতীয় সড়কের যান চলাচল। বন্ধ হয়ে যায় যাতায়াত।
আরও পড়ুন ১৩,৭৩৭ নতুন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট পেল ভারত: ICAI-এর বড় পদক্ষেপ
এদিকে নর্দার্ন রেল জানিয়েছে, জম্মু ও কাটরা স্টেশন থেকে ২২টি ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
শুধু বৈষ্ণদেবীর পথ নয়, প্রবল বর্ষণের জেরে জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় নেমেছে ধস। রাস্তাঘাট বন্ধ। বিচ্ছিন্ন এলাকা। উদ্ধারকাজে নেমেছে সিআরপিএফ।
আহতদের মধ্যে অনেকে আশঙ্কাজনক। চিকিৎসা চলছে কাটরার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে। অন্যদিকে, আটকে পড়েছেন বহু তীর্থযাত্রী। শেষ হয়ে গিয়েছে খাবার আর পানীয় জল। সিআরপিএফের তরফে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং ত্রাণসামগ্রী।
পবিত্র তীর্থযাত্রার পথ এখন ভয়, কান্না আর অসহায়তার প্রতীক। প্রকৃতির সামনে আবারও হেরে যাচ্ছে মানুষ।
-জ্যোতি সরকার