সর্বশেষ সংবাদ
ধসের কবলে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন কালিম্পং-সিকিম যোগাযোগ মাধ্যম

ধসের কবলে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন কালিম্পং-সিকিম যোগাযোগ মাধ্যম

একটানা বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমলেও বিপদের ছায়া কাটেনি পাহাড়ে। বুধবার সকালে ফের ধস নামল কালিম্পংয়ের ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে তারখোলা ও ১১ মাইল এলাকায় হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে মাটি, পাথর, নুড়ি ও বিশাল আকারের বোল্ডার। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় শিলিগুড়ির সঙ্গে কালিম্পং ও সিকিমের সড়ক যোগাযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারও জাতীয় সড়কের ১০ মাইল এলাকা ধসের কবলে পড়ে। সেই সময় দিনভর চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে প্রশাসন। তবে, বুধবার সকালে ফের একাধিক জায়গায় ধস নামায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক। লিকুভির ও সিলফিদারা এলাকাতেও মাঝেমধ্যে উঁচু উপত্যকা থেকে পাথর গড়িয়ে পড়ছে।

উত্তরবঙ্গের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামায়  স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকেরা সমস্যায় পড়েছেন। ব্যাহত হয়েছে জরুরি পরিষেবা। সকাল থেকে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। নিয়োগ করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

এদিকে, ধসের পাশাপাশি নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নদী ভাঙন। তিস্তার জলস্তর সামান্য কমলেও কালিংপংয়ের রোবিঝোরা , তিস্তাবাজার, মালবাজারের বাগরাকোট অঞ্চলে নদী ভাঙনের সম্ভাবনা রয়েছে। নদীর গতির উপর কড়া নজর রাখছে কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন।

এক জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, "সর্বদা সতর্ক আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগে । দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ধস সরাতে ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করতে। পাশাপাশি, নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সুরক্ষার জন্য প্রস্তুত রয়েছে উদ্ধারকারী দল।"

অন্যদিকে, আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিন পাহাড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা  যাচ্ছে। আপাতত পর্যটকদের পাহাড়ে যাত্রা স্থগিত রাখার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।

                                                                                                                                                    -সুমনা প্রামাণিক

পরবর্তী খবর