মাত্র এক বছরেই রাজনীতির প্রতি মন উড়ে গেল কঙ্গনার? "রাজনীতি নয়, বিলাসিতার জীবনই চাই" স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভের পরেও ভক্তদের মনে সেরূপ ছাপ ফেলতে পারেনি রানাওয়াত। তবে, বিভিন্ন সময় বিতর্কিত মন্তব্য ও আচরণের জেরে controversy তে জড়িয়েছেন বারংবার। তারপর হঠাৎ একদিন জানা গেলো রাজনীতিতে যোগদান করছেন কঙ্গনা। ২০২৪ এ হিমাচলপ্রদেশের মান্ডি লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই অনেক আশা জেগেছিল তাঁর ভক্তদের মনে। তবে, এই আশাতেও জল ঢালতে চলেছেন তিনি।
সম্প্রতি, এক সাক্ষাতকারে কঙ্গনা সরাসরি জানালেন, "আমি এত বড় ত্যাগ করতে পারব না। আমি চাই বড় বাড়ি, গাড়ি, হিরে, আর সুন্দর জীবন। আমি সবসময় স্বার্থপরের মতো জীবন কাটিয়েছি।" অভিনেত্রী আরও বলেন, "জানি না ঈশ্বর কেন আমাকে রাজনীতির জন্য বেছে নিয়েছেন। কিন্তু আমি চাই না আমার জীবন এত কঠিন হয়ে উঠুক।" এই মন্তব্যে স্পষ্ট, বিলাসবহুল জীবন ছাড়তে তিনি নারাজ।
তবে, তাঁর এই মন্তব্য কে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয় বিজেপির অন্দরে। এমনকি দলের শীর্ষ নেতা জেপি নাড্ডার ফোনও আসে তাঁর কাছে। এরপরই কঙ্গনা কে বলতে হয়, "আমি আমার কথা ফিরিয়ে নিচ্ছি।"
এই ঘটনার পর থেকেই নাকি রাজনীতি নিয়ে আরও সতর্ক হয়ে গিয়েছেন কঙ্গনা। অন্যদিকে, অভিনেত্রীকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা আছে কি? প্রশ্ন করা হলে, তাঁর সোজাসাপটা উত্তর, "প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্যতা বা ইচ্ছা আমার নেই। কখনও সমাজকর্মও করিনি।"
চলতি বছরেই মুক্তি পেয়েছে কঙ্গনার ছবি 'ইমার্জেন্সী'। এই ছবিতে তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এমনকি, ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজকও তিনি নিজেই। কিন্তু বক্স অফিসে একেবারেই সফলতা মেলেনি।
সব মিলিয়ে স্পষ্ট, এক বছর আগের সেই রাজনৈতিক উদ্যম আর নেই কঙ্গনার মধ্যে। তাঁর মন এখনও বলিউডের ক্যামেরা, আলো আর গ্ল্যামারের দুনিয়াতেই আটকে!
-দিশা দাস