সর্বশেষ সংবাদ
Amity University Convocation 2025 মঞ্চে সাফল্যের জোয়ার,ডিগ্রি হাতে উচ্ছ্বাসে ছাত্রছাত্রীরা!

Amity University Convocation 2025 মঞ্চে সাফল্যের জোয়ার,ডিগ্রি হাতে উচ্ছ্বাসে ছাত্রছাত্রীরা!

গত বুধবার অর্থাৎ ১৯শে নভেম্বর, ২০২৫,  কলকাতার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যামিটি ইউনিভার্সিটি এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের কনভোকেশন ২০২৫ সফলভাবে সম্পন্ন করলো। এই সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। এই সমাবর্তনে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরাল প্রোগ্রাম জুড়ে প্রায় ২০০০ শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়াও, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য ২৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে মর্যাদাপূর্ণ শ্রী বলজিৎ শাস্ত্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

এই বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন অ্যামিটি এডুকেশন গ্রুপের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, মাননীয় আচার্য ডঃ অতুল চৌহান, মাননীয় উপাচার্য ডঃ অশোক কুমার শ্রীবাস্তব এবং মাননীয় সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিস্টার ইউ. রামচন্দ্রন। অনুষ্ঠানে দুইজন বিশিষ্ট নেতা- PwC ইন্ডিয়ার চেয়ারপারসন মিস্টার সঞ্জীব কৃষ্ণান এবং ডেটামেটিক্স গ্লোবাল সার্ভিসেস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান ও CEO মিস্টার রাহুল এল. কানোদিয়া-কে সম্মানসূচক ডক্টরেট (Honorary Doctorates) প্রদান করা হয়।

চ্যান্সেলর ড. অতুল চৌহান তার বক্তব্যে বলেন, কনভোকেশন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হলে দরকার সহমর্মিতা ও উদ্দেশ্যপূর্ণ কাজ। অ্যামিটি-র শিক্ষার্থীরা বারবার প্রমাণ করেছে যে তারা মেধা এবং সততার মাধ্যমে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।

 

আরও পড়ুন  বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ! নভেম্বরের শেষদিকে কি ফিরবে শীতের আমেজ?

 

ভাইস-চ্যান্সেলর ড. অশোক কে. শ্রীবাস্তব বলেন, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা কেবল ডিগ্রি নিয়েই বিদায় নিচ্ছে না। তারা নিয়ে যাচ্ছে কৌতূহল, মূল্যবোধ, উদ্ভাবনক্ষমতা, নেতৃত্বগুণ এবং গবেষণা-মনোভাব। এগুলোই ভবিষ্যতের জন্য অ্যামিটিকে একটি গ্লোবাল এক্সেলেন্সের প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে।
  
অন্যদিকে, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট মি. ইউ. রামাচন্দ্রন বলেন,অ্যামিটি-র শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সাফল্য তাদের উদ্ভাবনক্ষমতা, সমাজে অর্থবহ অবদান এবং মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করার মধ্যেই নিহিত।
 
 সম্মানসূচক ডক্টরেট গ্রহণকারী PwC India-এর চেয়ারপারসন মি. সঞ্জীব কৃষাণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, টেকনোলজি, মানুষ, কমিউনিটি এবং ইকোসিস্টেম এগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব। তাই উদ্দেশ্যপূর্ণ নেতৃত্বকে গ্রহণ করুন।

এরপর মিস্টার রাহুল এল. কানোডিয়া  বলেন ভবিষ্যতের সাফল্য সেই মানুষেরাই পাবে, যারা টেকনোলজির সঙ্গে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সকে যুক্ত করতে পারবে এবং তা তাদের ব্যবসা বা কাজের মডেলে প্রয়োগ করতে পারবে।

সর্বোপরি, এই কনভোকেশন অ্যামিটি ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল ভাবনা ও মূল্যবোধকে তুলে ধরেছে। দেশের বিভিন্ন রাজ্য এবং বিদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও রঙিন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়ে ওঠে। অ্যামিটি জানিয়েছে, তারা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চায় যেখানে বিভিন্ন পটভূমির শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে শিখবে, কাজ করবে এবং একে অপরের সংস্কৃতিকে সম্মান করবে।

                                                                                                                                                                                                       -জ্যোতি সরকার

পরবর্তী খবর