সর্বশেষ সংবাদ
চিকিৎসা জগতে সুখবর! নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়ার অর্ধবর্ষে লাভ-রাজস্বে বড়সড় উন্নতি

চিকিৎসা জগতে সুখবর! নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়ার অর্ধবর্ষে লাভ-রাজস্বে বড়সড় উন্নতি

স্বাস্থ্যসেবা দুনিয়ায় হঠাৎই বড়সড় এক ইতিবাচক চমক। এমন এক প্রতিষ্ঠান, যাদের কাজ দেশের হাজার হাজার রোগীর জীবনকে ছুঁয়ে যায়, তারা প্রকাশ করল বছরের প্রথম ছয় মাসের এমন এক হিসেব  যা শুনলে চমকে উঠতেই হয়।

 নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেড বা এনসিআইএল, ভারতের অন্যতম শীর্ষ মাল্টি-স্পেশালিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডার, এবার জানিয়েছে এই আর্থিক বছরের প্রথমার্ধে তাদের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কথা। কোম্পানি জানায়, ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের প্রথম ছয় মাসে তাদের স্ট্যান্ডঅ্যালোন নিট লাভ বেড়েছে ৩৩.৭১ শতাংশ। এই সময় তারা ১.৯৪ কোটি টাকা লাভ করেছে, যেখানে আগের অর্ধবর্ষে লাভ ছিল ১.৪৫ কোটি টাকা। এনসিআইএলের রাজস্ব বা রেভিনিউও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের অর্ধবর্ষের ২৮.৩৪ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এবার দাঁড়িয়েছে ৩৯.৩৩ কোটি টাকা অর্থাৎ ৩৮.৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি।

আরও পড়ুন: তাপমাত্রায় চমকপ্রদ পরিবর্তন! IMD-র নতুন সতর্কবার্তা রাজ্যে

অপারেটিং প্রফিট বা ইবিডিটিএ হয়েছে ৫.০২ কোটি টাকা, যার মার্জিন ১২.৫৭ শতাংশ। কোম্পানির মতে, তাদের নতুন মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল ‘ভিভাসিটি’র প্রাথমিক খরচের কারণে কিছুটা চাপ এলেও, আগামী ত্রৈমাসিকে মুনাফা আরও বাড়বে। কারণ ভিভাসিটি আগামী মাসগুলোতে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব যোগ করবে। এ প্রসঙ্গে এনসিআইএলের ফাউন্ডার, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ড. প্রতীম সেনগুপ্ত বলেন, “আমাদের এই প্রবল টপলাইন গ্রোথ দেখায় যে আমরা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য রেনাল কেয়ার পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভিভাসিটি হাসপাতালের প্রাথমিক খরচে মার্জিন কিছুটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু খুব শীঘ্রই লাভ আরও বাড়বে আমরা সে ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। দেশে বিশেষায়িত রেনাল কেয়ারের এখনো প্রচুর ঘাটতি রয়েছে। আমরা সেই ঘাটতি পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য।

রেনাল কেয়ারে পূর্ণাঙ্গ পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এনসিআইএল কাজ করছে একটি সমন্বিত ফ্রেমওয়ার্কে যার মধ্যে রয়েছে ক্লিনিক্যাল, লাইফস্টাইল এবং ওয়েলনেস সার্ভিস। তাদের বিভিন্ন প্রোগ্রামের মধ্যে রয়েছে মুক্তি (যোগা ওয়েলনেস), হোম ডায়ালিসিস, হোম কেয়ার এবং ডায়াগনস্টিক্স, যা রোগীদের সম্পূর্ণ পরিচর্যা ও পুনর্বাসনে সাহায্য করে।

এনসিআইএলের ছয়টি রেনাল কেয়ার ক্লিনিক ‘হাব অ্যান্ড স্পোক’ মডেলে চলে, যেখানে প্রতিটি ইউনিটেই রয়েছে আধুনিক অবকাঠামো ও দক্ষ চিকিৎসক দল। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রোগীরাও পাচ্ছেন উন্নত, রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা।

                                                                                                                                                                                                                                                                                                                       -জ্যোতি সরকার

পরবর্তী খবর